1. monirhossain12589@gmail.com : admin :
  2. nccnewsbd@gmail.com : ncc newsbd : ncc newsbd
বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি - এন‌সিসি নিউজ বিডি.কম
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
ব্রে‌কিং নিউজ
টঙ্গীবাড়ীতে ১৫০শ কেজী জাটকাসহ আটক ৭!ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা সিরাজদিখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা সিরাজদিখানে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ সিরাজদিখান প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে শ্যালককে হত্যার অভিযোগ স্বাস্থ্য সচেতনতার লক্ষ্যে মহাসড়কে সিরাজদিখান পুলিশের চেক পোস্ট টংগিবাড়ীতে সরকারী আদেশ অমান্য করে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযানে ১২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা মুন্সিগঞ্জ ডিবি পুলিশ মাত্র ৩ মাসে, র্দীঘ ০৬ বছর আগের হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করলো সিরাজদিখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দোকানীদের জরিমানা মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানো হচ্ছেই আলমের কাজ!বললেন ভুক্তভোগী দেলু মালত সিরাজদিখানে রিফুজি বাড়িতে হামলা আহত-১০ মুন্সীগঞ্জের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে গেলো নসিমন, মহিলা শ্রমিক নিহত সহ আহত ১২ সিরাজদিখানে ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়ার চেষ্টা, বাদী সহ সহায়তাকারী জেলে সিরাজদিখানে মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় প্রবাসী আহত মুন্সীগঞ্জে নিরাপদ চিকিৎসা চাই সংগঠনের মাস্ক বিতরণ

বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি

সা‌দিয়া আক্তারঃ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

সাদিয়া আক্তার

গাজীপুরের মাটির ঘর দেখতে যা এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। চারপাশে গাছগাছালিতে ভরপুর। এমন মনোরম দৃশ্যপট দেখতে পাবেন গাজীপুরের পোড়াবাড়ি এলাকাসহ তার আসপাসের এলাকাতেও।
টিনের চালায় চাল বাধানো দোতলা কিংবা একতলা মাটির ঘর। সামনেই কাদা জরানো উঠান। একপাশে রান্নার ঘড়।
সচরাচর এখন আর মাটির ঘর চোখে পড়ে না। ঐতিহ্যের এই অংশটি ধীরে ধীরে স্থান পাচ্ছে স্মৃতির পাতায়।
একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে ছিল মাটির ঘর। কিন্তু ইট-পাথরের দালানের ভিড়ে তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, মাটির সহজলভ্যতা, প্রয়োজনীয় উপকরণের প্রতুলতা আর শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় আগের দিনে মানুষ মাটির ঘর বানাতে আগ্রহী ছিল। এ ছাড়া টিনের ঘরের তুলনায় মাটির ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক। তীব্র শীতে ঘরের ভেতরটা থাকে বেশ উষ্ণ। আবার প্রচণ্ড গরমেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল। এ জন্য গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাটির ঘরের আধিক্য ছিল বেশি।

কিন্তু সেখানে এখন মাটির ঘরের দেখা মেলাই ভার।

সাধারণত এঁটেল মাটি দিয়ে এসব ঘর তৈরি করা হতো। পরিচ্ছন্ন মাটির সঙ্গে পানি মিশিয়ে কাদায় পরিণত করে ২০-৩০ ইঞ্চি চওড়া দেয়াল তৈরি করা হয়। প্রতিবারে এক-দেড় ফুট উঁচু করে ক্রমে শুকিয়ে গেলে খড় বা টিন দিয়ে ছাউনি দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘর তৈরিতে সময় লাগত দেড়-দুই মাস।

দেশে একসময় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ঘর ছিল মাটির। কিন্তু মাটির ঘর বিলুপ্ত হতে চলেছে। মাটির সঙ্গে পাটের আঁশ, প্রয়োজনীয় কংক্রিট, তক্তা ও বাঁশের ফলা ব্যবহার করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম মাটির বাড়ি বানানো যায়।
এ ক্ষেত্রে মানুষকে মাটির বাড়ির গুণগত মান ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সচেতন ও আগ্রহী করে তুলতে হবে।

গরমকালে ঠান্ডা ও শীতকালে গরম অনুভূত হয় এখানে। এ ছাড়া বসবাসও আরামদায়ক।

এনসিসি নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাগতম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

টংগিবাড়ী উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার অফিস প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By Bongshai IT