1. monirhossain12589@gmail.com : admin :
  2. nccnewsbd@gmail.com : ncc newsbd : ncc newsbd
বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি - এন‌সিসি নিউজ বিডি.কম
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
ব্রে‌কিং নিউজ
সামাজিক সংগঠন বর্ণ ছাতার আর্থিক অনুদান প্রদান সিরাজদিখানে শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার এওয়ার্ড পেলেন এসআই জুবায়ের মৃধা সিরাজদিখানে চোরাই অটোরিকশা ও ছিনতাইকারী চক্রের ২ সদস্য আটক মুন্সীগঞ্জে ৭৪টি গাছের চারা রোপণ করে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন মিরকাদিমে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে ছাত্রলীগের প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন সিরাজদিখান উপজেলা নবনিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেছা জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সিরাজদিখানে বিকল্প ধারা ও যুব ধারার আহবায়ক কমিটি গঠন

বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি

সা‌দিয়া আক্তারঃ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

সাদিয়া আক্তার

গাজীপুরের মাটির ঘর দেখতে যা এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। চারপাশে গাছগাছালিতে ভরপুর। এমন মনোরম দৃশ্যপট দেখতে পাবেন গাজীপুরের পোড়াবাড়ি এলাকাসহ তার আসপাসের এলাকাতেও।
টিনের চালায় চাল বাধানো দোতলা কিংবা একতলা মাটির ঘর। সামনেই কাদা জরানো উঠান। একপাশে রান্নার ঘড়।
সচরাচর এখন আর মাটির ঘর চোখে পড়ে না। ঐতিহ্যের এই অংশটি ধীরে ধীরে স্থান পাচ্ছে স্মৃতির পাতায়।
একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে ছিল মাটির ঘর। কিন্তু ইট-পাথরের দালানের ভিড়ে তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, মাটির সহজলভ্যতা, প্রয়োজনীয় উপকরণের প্রতুলতা আর শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় আগের দিনে মানুষ মাটির ঘর বানাতে আগ্রহী ছিল। এ ছাড়া টিনের ঘরের তুলনায় মাটির ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক। তীব্র শীতে ঘরের ভেতরটা থাকে বেশ উষ্ণ। আবার প্রচণ্ড গরমেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল। এ জন্য গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাটির ঘরের আধিক্য ছিল বেশি।

কিন্তু সেখানে এখন মাটির ঘরের দেখা মেলাই ভার।

সাধারণত এঁটেল মাটি দিয়ে এসব ঘর তৈরি করা হতো। পরিচ্ছন্ন মাটির সঙ্গে পানি মিশিয়ে কাদায় পরিণত করে ২০-৩০ ইঞ্চি চওড়া দেয়াল তৈরি করা হয়। প্রতিবারে এক-দেড় ফুট উঁচু করে ক্রমে শুকিয়ে গেলে খড় বা টিন দিয়ে ছাউনি দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘর তৈরিতে সময় লাগত দেড়-দুই মাস।

দেশে একসময় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ঘর ছিল মাটির। কিন্তু মাটির ঘর বিলুপ্ত হতে চলেছে। মাটির সঙ্গে পাটের আঁশ, প্রয়োজনীয় কংক্রিট, তক্তা ও বাঁশের ফলা ব্যবহার করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম মাটির বাড়ি বানানো যায়।
এ ক্ষেত্রে মানুষকে মাটির বাড়ির গুণগত মান ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সচেতন ও আগ্রহী করে তুলতে হবে।

গরমকালে ঠান্ডা ও শীতকালে গরম অনুভূত হয় এখানে। এ ছাড়া বসবাসও আরামদায়ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

টংগিবাড়ী উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার অফিস প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: Bongshai IT