1. monirhossain12589@gmail.com : admin :
  2. nccnewsbd@gmail.com : ncc newsbd : ncc newsbd
বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি - এন‌সিসি নিউজ বিডি.কম
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০১:২৯ অপরাহ্ন
ব্রে‌কিং নিউজ
সিরাজদিখানে সম-নাগরিকত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত সিরাজদিখানে ভূমিহীনদের জমি ও ঘর বিতরণ সিরাজদিখান ডিস ও ইন্টারনেটের তার যত্রতত্র ঝুলছে, ভোগান্তি চরমে! সিরাজদিখানে সিএনজি চাপায় বৃদ্ধ নিহত সিরাজদিখানে জামান শাহিন হাওলাদার (রতন) এর গণসংযোগ সিরাজদিখানে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় “কোভিড-১৯ এবং সুস্থ্য সুরক্ষা” সিরাজদিখানে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপন সিরাজদিখানে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার নামে প্রতারণা, ভুয়া চিকিৎসক আটক সিরাজদিখানে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের ঘরে আগুন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী – হাজী মো: রফিকুল ইসলাম সরকার

বিলুপ্তপ্রায় মাটির ঘর- গাজীপুর, পোড়াবাড়ি

সা‌দিয়া আক্তারঃ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

সাদিয়া আক্তার

গাজীপুরের মাটির ঘর দেখতে যা এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। চারপাশে গাছগাছালিতে ভরপুর। এমন মনোরম দৃশ্যপট দেখতে পাবেন গাজীপুরের পোড়াবাড়ি এলাকাসহ তার আসপাসের এলাকাতেও।
টিনের চালায় চাল বাধানো দোতলা কিংবা একতলা মাটির ঘর। সামনেই কাদা জরানো উঠান। একপাশে রান্নার ঘড়।
সচরাচর এখন আর মাটির ঘর চোখে পড়ে না। ঐতিহ্যের এই অংশটি ধীরে ধীরে স্থান পাচ্ছে স্মৃতির পাতায়।
একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে ছিল মাটির ঘর। কিন্তু ইট-পাথরের দালানের ভিড়ে তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, মাটির সহজলভ্যতা, প্রয়োজনীয় উপকরণের প্রতুলতা আর শ্রমিক খরচ কম হওয়ায় আগের দিনে মানুষ মাটির ঘর বানাতে আগ্রহী ছিল। এ ছাড়া টিনের ঘরের তুলনায় মাটির ঘর অনেক বেশি আরামদায়ক। তীব্র শীতে ঘরের ভেতরটা থাকে বেশ উষ্ণ। আবার প্রচণ্ড গরমেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল। এ জন্য গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাটির ঘরের আধিক্য ছিল বেশি।

কিন্তু সেখানে এখন মাটির ঘরের দেখা মেলাই ভার।

সাধারণত এঁটেল মাটি দিয়ে এসব ঘর তৈরি করা হতো। পরিচ্ছন্ন মাটির সঙ্গে পানি মিশিয়ে কাদায় পরিণত করে ২০-৩০ ইঞ্চি চওড়া দেয়াল তৈরি করা হয়। প্রতিবারে এক-দেড় ফুট উঁচু করে ক্রমে শুকিয়ে গেলে খড় বা টিন দিয়ে ছাউনি দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘর তৈরিতে সময় লাগত দেড়-দুই মাস।

দেশে একসময় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ঘর ছিল মাটির। কিন্তু মাটির ঘর বিলুপ্ত হতে চলেছে। মাটির সঙ্গে পাটের আঁশ, প্রয়োজনীয় কংক্রিট, তক্তা ও বাঁশের ফলা ব্যবহার করে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম মাটির বাড়ি বানানো যায়।
এ ক্ষেত্রে মানুষকে মাটির বাড়ির গুণগত মান ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সচেতন ও আগ্রহী করে তুলতে হবে।

গরমকালে ঠান্ডা ও শীতকালে গরম অনুভূত হয় এখানে। এ ছাড়া বসবাসও আরামদায়ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

টংগিবাড়ী উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার অফিস প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: Bongshai IT