1. monirhossain12589@gmail.com : admin :
  2. nccnewsbd@gmail.com : ncc newsbd : ncc newsbd
সিরাজদিখানে ৪ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকার রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ! - এন‌সিসি নিউজ বিডি.কম
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
ব্রে‌কিং নিউজ
সামাজিক সংগঠন বর্ণ ছাতার আর্থিক অনুদান প্রদান সিরাজদিখানে শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার এওয়ার্ড পেলেন এসআই জুবায়ের মৃধা সিরাজদিখানে চোরাই অটোরিকশা ও ছিনতাইকারী চক্রের ২ সদস্য আটক মুন্সীগঞ্জে ৭৪টি গাছের চারা রোপণ করে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন মিরকাদিমে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মুন্সীগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুন্সীগঞ্জে ছাত্রলীগের প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন সিরাজদিখান উপজেলা নবনিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেছা জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সিরাজদিখানে বিকল্প ধারা ও যুব ধারার আহবায়ক কমিটি গঠন

সিরাজদিখানে ৪ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকার রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ!

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক নম্বর ইটের পরিবর্তে নিম্ন মানের তিন নাম্বার ইট ও ইটের শুরকি ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। উপজেলার সিরাজদিখান বাজার সরদারপাড়া কুলু বাড়ীর তিন রাস্তার মোড় থেকে কুসুমপুর খেলার মাঠ সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কি.মি এ রাস্তাটি সংস্কারের দায়ীত্ব পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোনালিসা ট্রেডার্স। রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরুর পর থেকে নিম্ন মানের সামগ্রী তথা তিন নাম্বার ইট ও ইটের শুরকি ব্যবহার করায় অভিযোগের ঝড় তোলেন স্থানীয় এলাকাবাসী। পুরোনো পিচ ঢালাই ভেঙে নিম্ন মানের ইটের শুরকির সাথে মিশিয়ে রাস্তার প্রথম স্তরের কার্পেটিং করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিরাজদিখান বাজার থেকে কুসুমপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কি.মি এ রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। কাজটি সংস্কার সম্পূর্ণ করার দায়ীত্ব পায় মের্সাস মোনালিসা নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। করোনার কারণে দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ রাখা হলেও ২০-২১ দিন ধরে পুনরায় সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চন্দনধূল সরকার বাড়ী জামে মসজিদ থেকে চন্দনধূল ব্রীজ পর্যন্ত প্রথম স্তরের কার্পেটিং সম্পন্ন হয়েছে। যার মধ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে রাস্তা পুরোনো পিচ ঢালাই ও নিম্ন মানের তিন নাম্বার পচা ইটের সংমিশ্রিত শুরকি। রাস্তাটি সংস্কারে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিরাজদিখান বাজার থেকে কুসুমপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে ৪ (চার) কোটি ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ২ শত ২৩ টাকা বরাদ্দে মের্সাস মোনালিসা ট্রেডার্স নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের উপর দায়ীত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেন রাস্তাটি সংস্কারের লক্ষ্যে ১০-১৫ জন জনবল নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, আমাদের এ রাস্তাটি বহুদিন ধরে ভাঙা ছিলো। কয়েকমাস আগে হালকা কাজ ধরেছিলো। কিন্তু করোনার কারণে করতে পারে নাই। ২০-২১ দিন ধরে সংস্কার কাজ শুরু করেছে তারা। আগের পিচ ঢালাই ও পচা ইটের শুরকি মিলিয়ে রাস্তার নিচে বিছানো হচ্ছে। রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধ ভাবে খারা করে যে ইট লাগানো হয়েছে সেগুলোও একেবারেই মানহীন। ওজন ওয়ালা কয়েকটা গাড়ী ওই ইটের উপর দিয়ে গেছে এতেই ইট ভেঙে ফাঁকি হয়ে গুরো মশলার মত হয়ে গেছে। আমরা রাস্তায় কোন পঁচা ইট ব্যবহার করতে দিবো না। এতে যা হয় হবে।
স্থানীয় যুবক মোঃ রনি শেখ বলেন, রাস্তাটি ভালো ভাবে সংস্কার করা হলে পাঁচ বছরেও কিছু হবে না। কারণ এখান দিয়ে গাড়ী চলাচল খুবি কম করে। বিকেলে রাস্তায় বেরিয়ে দেখলাম পচা ইট রাস্তার পাশে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। অনেকটা অংশে এগুলো ব্যবহার করাও হয়েছে। দেখে মনে হলো এসব পচা ইট দিয়েই কাজ করা হবে। যদি এমন নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ বা সংস্কার করা হয় তাহলেতো বছর না যেতেই আবার ভাঙন ধরবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেন মুঠোফোনে রাস্তা সংস্কারে তিন নাম্বার ইট ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিককে চায়ের দাওয়াত দেন এবং তার প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত ইঞ্জিনিয়ার দারা সংবাদটি যাতে প্রকাশ না হয় সে জন্য ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।
উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাব্বির জানান, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য ৪ (চার) কোটি ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ২ শত ২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংস্কার কাজে নিম্ন মানে ইটের শুরকি ও তিন মাম্বার ইট ব্যবহারের কোন নিয়ম নেই। অবশ্যই সেখানে এক নাম্বার ইট ব্যবহার করতে হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী শোয়াইব বীন আজাদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনি লোক পাঠাচ্ছি৷ যদি এ ধরনের কাজ হয় থাকে তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

টংগিবাড়ী উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে কম্পিউটার অফিস প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed By: Bongshai IT